মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60

শিরোনাম

সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না শিক্ষাব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার চাপ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে ফেলেছে সাজগোজের রিমি নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণদের প্রত্যাশা কীভাবে নিবেন একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও স্মার্ট ডিসিশন ফ্রেশাররা কেন চাকরি পায়না ইন্টারভিউ নেয়ার সঠিক ও জরুরি কৌশল ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত মিটিং করার আগে ভাবুন তারুণ্যের উৎসব বাংলাদেশ ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম-২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে ৩০শে অক্টোবর ভয়ংকর আগস্ট ভালো হতে চেয়েছিলাম (ছোটগল্প) এইচআর নিয়ে একডজন ভুল ধারনা এবং উত্তর বিশ্ব শান্তির প্রসারে দক্ষিণ কোরিয়ার শান্তি সামিট অনুষ্ঠিত আত্মহত্যা নয়, জীবনকে উপভোগ করুন

বিশ্ব শান্তির প্রসারে দক্ষিণ কোরিয়ার শান্তি সামিট অনুষ্ঠিত

ইয়ুথ জার্নাল প্রতিবেদক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, নারী এবং যুব সংগঠনের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পেশা ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচডব্লিউপিএল-২০১৮ ওয়াল্ড পিস সামিট।

হ্যাভেনলি কালচার, ওয়ার্ল্ড পিস ও রেস্টোরেশন অব লাইট (এইচডব্লিউপিএল)-এর আয়োজনে ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টম্বর দক্ষিণ রোরিয়ায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বের ২০টি ভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতারা সেখানে মিলিত হয়েছিলেন তাদের ধর্মীয় শান্তির সংস্কৃতির প্রসারে। এ ছাড়া ধর্মীয় শান্তির সংস্কৃতির প্রসারে সংহতি ও শান্তি কমিটির সদস্যরাও সেখানে নিয়োজিত ছিল।

পূর্ব তিমুরের দিলি লাফেকের রোটারি ক্লাবের কোঅর্ডিনেটর হারকুলানো এমারাল পিস ক্যাম্পেইনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গত বছর পূর্ব তিমুরের ইন্টারন্যাশনাল পিস ইযুথ গ্রুপ (আইপিওয়াইজি) সাবেক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে এইচডব্লিউপিএল ও আইপিওয়াইজির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রেসিডেন্ট ও আইন প্রনেতাদের সহযোগিতা পাওয়া চেষ্টা করছি।

কোরীয় উপদ্বীপের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার উদ্দেশ্যে এবারের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিশ্বের ৩০ দেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে সেখানে পিস মিডিয়া প্লাটফর্ম পিস ইনশিয়েটিভ (পিআই)-এর উদ্বোধন করা হয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলা ও সংবাদের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে পিআই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিউনিশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ ই ড. মনসেফ মারজোকি শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিডিয়ার ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি স্বাধীন সাংবাদিকতার কাছে ভীষণভাবে ঋণী। আরব বসন্তের সময় স্বাধীন সাংবাদিকতা সে দেশের স্বৈর শাসকের মুখোশ উন্মোচন করেছে তাদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে।

গণমাধ্যমমের স্বাধীনতা ও সহযোগিতা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষেয়ে যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিন এই সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।