সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60

শিরোনাম

ভিন্ন রঙে আঁকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আত্মহত্যা সমাধান নয় যেভাবে প্রাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখতে চাই অত:পর, কোন একদিন...... দ্রুত ওজন কমানোর কিছু কৌশল জাপানের সুমিতমো বৃত্তি পেল ঢাবির ৪০ শিক্ষার্থী চীন যাচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) বাগেরহাটের ১০ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ও তরুণ প্রজন্ম জাপান সরকার দিচ্ছে মেক্সট স্কলারশিপ উচ্চ মাধ্যমিকের পর ক্যারিয়ার পরিকল্পনা মাসের খরচের টাকা বাঁচিয়ে ব্যতিক্রম লাইব্রেরি চালান রাজশাহীর বদর উদ্দিন ঢাকায় প্রথম পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমস সামিট ২৬ অক্টোবর রাজনীতি-ক্ষমতা ও তারুণ্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও তারুণ্য

জনপ্রশাসন পদক পেয়ে দায়িত্ব বেড়ে গেল

ইয়ুথ জার্নাল প্রতিবেদক

জনসেবায় অসামান্য অবদান রেখেছেন এমন ৩৯ ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে জনপ্রশাসন পদক প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩৯ ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে জনপ্রশাসন পদক-২০১৮ তুলে দেন তিনি। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই পদক দেয়া হলো। জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে দুটি ক্ষেত্রে সাধারণ ও কারিগরি শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, শ্রেষ্ঠ দল ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিতে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সহকারি সচিব কামরুল আহসান তালুকদার ও নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার শাহাজাহান আলী জাতীয় পর্যায়ে চলতি বছর ব্যক্তিগত শ্রেণিতে জনপ্রশাসন পদক পেয়েছেন। ময়মনসিংহের ভালুকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদে থাকা অবস্থায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিস্তারের উদ্যোগ গ্রহণ করায় কামরুল আহসান এবং ভূমি রেজিস্ট্রেশন সেবা ও দলিল ক্যালকুলেটর নামে দুটি অত্যাধুনিক মোবাইল অ্যাপস তৈরি করায় শাহাজাহানকেও একই পদক দেয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে কথা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব কামরুল হাসান তালুকদারের সঙ্গে। পড়ুন পুরো সাক্ষাৎকারটি।

প্রশ্ন: আপনি কোন বিষয়ে জনপ্রশাসন পদক পেলেন? আপনি তো ভালুকার ইউএনও ছিলেন?

কামরুল হাসান তালুকদার: আমি চেষ্টা করেছি ভালুকায় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিস্তার ঘটাতে। আমি ভালুকার ৪ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শিখিয়েছি এবং ১ লক্ষ শিক্ষার্থীর কাছে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের সিডি এবং লিখিত পাঠ বিতরণ করি। একটা ভাষণ উৎসবের আয়োজন করা হয় যেখানে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল এবং এই উৎসবের মাধ্যমে হাজারো ছেলেমেয়ের বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ মুখস্ত বলার একটা সুযোগ তৈরি হয়। একেবারে থ্রি-ফোর-ফাইভ থেকে শুরু করে কলেজ পর্যন্ত যারা কোনদিন এই ভাষণ শোনেননি আমি তাদের টার্গেট করি। তাদের ভেতরটা আমি পরিবর্তন করার চেষ্টা করি চেতনার অবকাঠামো নির্মাণে।

আমি বিশ্বাস করি নিজের চেতনার যদি অবকাঠামো নির্মাণ করা যায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবকাঠামো যদি কোমলমতি শিশুদের মধ্যে যদি ধারণ করা যায় তাহলে উন্নয়নের অবকাঠামো টেকসই হবে। আমি চেতনার অবকাঠামো নির্মাণের কথা চিন্তা করে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের চর্চা ভালুকার ১ লাখ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুরু করেছি এবং এটি জাতীয় পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে আমাকে এই জনপ্রশাসন পদকের জন্য মনোনীত করা হয়। সেজন্য যে সব ক্ষুদে বঙ্গবন্ধু এই ভাষণ মুখস্ত করেছে এবং হাজারো জনতার সামনে এই ভাষণ উপস্থাপন করেছে আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

প্রশ্ন: আপনি পদক পেলেন, আপনার এখনকার কাজ কেমন হবে?

কামরুল হাসান তালুকদার: দেশ এবং জনগণের প্রতি আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। নিজের ভেতরে আমি সবসময়ই একটা বিরোধী পক্ষ তৈরি করে রাখি। আমার এই কাজগুলো কতটা জনবান্ধব হবে, আমার এই কাজ দিয়ে কেউ হয়রানি হবে কিনা, আমি কত কম সময়ে বা দ্রুত গতিতে সেবা দিতে পারছি এই বিষয়ে সব সময় নিজের ভেতরে একটা প্রত্যয় থাকে। আমি মানুষের জন্য বসে না থেকে যে, কখন তারা অভিযোগ নিয়ে আসবেন, তার থেকে বরং নিজের ভেতরে চাহিদা তৈরি করে সেইভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। আজকের এই পদক আমার আগামী দিনের কাজের গতি অনেক বৃদ্ধি করবে।

সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন