মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60

শিরোনাম

বাংলাদেশে বিশ্ব শান্তি সামিট অনুষ্ঠিত ঢাবির রোকেয়া হলে শেখ কামাল স্মৃতি বিতর্ক ও সুলতানা কামাল স্মৃতি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ডেঙ্গু বিষয়ে জরুরি বার্তা: প্রয়োজন সতর্কতা দেশে এক তৃতীয়াংশ যুবক বেকার : ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য শিশুর প্রতি যৌনসহিংসতা: নজরদারি মানেই নিরাপত্তা নয় সবুজের সমারোহ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির যাবতীয় কার্যক্রম এখন  মোবাইল এ্যাপস "এডমিশন এসিস্ট্যান্ট" এ মানুষ স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখে না, স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে; মাশরাফি: এক উদ্দীপনার নাম সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত দূরীকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে সৃষ্টিশীল তারুণ্য আক্রান্ত তারুণ্য, বিপর্যস্ত তারুণ্য ৭১-এর আওয়ামী লীগের ভাবনায় তারুণ্য তারুণের ভাবনায় আওয়ামী লীগ শীর্ষক মতবিনিময় ২৯ জুন

ক্যাম্পাসে এড়িয়ে চলবেন যাদের

ফিচার ডেস্ক

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। এবার নানা মতের নানা এলাকার মানুষের সঙ্গে আপনার পরিচয় হবে নিশ্চই। তবে মনে রাখবেন বন্ধুত্ব করতে হবে বুঝে শুনে। সবাই আপনার ক্লাসমেট তবে সবাই বন্ধু নয়। এদের মধ্যে অনেকের সঙ্গেই আপনি মনের মিল খুঁজে পাবেন। আবার অনেকের সঙ্গে মতের মিল খুঁজে নাও পেতে পারেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পথ চলুন বুঝে শুনে। এড়িয়ে চলুন কিছু সহপাঠীদের যারা এমন হয়ে থাকে :

>>> কিছু কিছু সহপাঠী আছে যারা আপনার সামনে হাসিমুখে কথা বললেও অনুপস্থিতিতে নেতিবাচক কথা রটায়। মানে মুখে মধু, অন্তরে বিষ। ওদের থেকে সাবধান হউন।

>>> কিছু সহপাঠীকে দেখবেন নির্লজ্জের মতো অাপনার ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায়। কথায় কথায় হাত পাতে। আবার আপনার সমস্যার সময়ে এড়িয়ে চলে। ওই সহপাঠীরা প্রতারক টাইপের হয়ে থাকে। তাই ওদের এড়িয়ে চলুন।

>>> যে সহপাঠীরা নিজের ছাড়া বাকি সবার ভুলত্রুটি খুঁজে বেড়ায় তাদের অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন।

>>> কোন কোন সহপাঠী তাদের প্রয়োজনে আপনাকে কাছে রাখে। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে পাত্তা দিতে চায় না। ওরা আপনার বিপদ দেখলে সটকে পড়বে। তাই বিপদের আগেই ওদের ত্যাগ করুন।

>>> কিছু কিছু সহপাঠী আছে যারা সবার প্রতি ঘৃণা পোষণ করে। সুযোগ পেলেই সমালোচনা করে। পৃথিবীর সব কিছু নিয়েই তাদের সমস্যা। তারা ইতিবাচক চিন্তা করতে পারে না। তাই এদের এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

>>> কিছু কিছু সহপাঠী আছে যারা কেবল নিজের ভালোটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। অন্যের বিপদের সময় থাকে খুঁজেও পাওয়া যায় না। নানা ধরনের বাহানা খুঁজে সটকে পড়ে। ওদের এড়িয়ে চলুন।

>>> কিছু কিছু সহপাঠী কারণে-অকারণে কথা বলতে ভালোবাসে কিন্তু অাপনার কথা সে শুনতে চায় না। নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করে। মনে রাখবেন এধরনের ক্লাসমেট আপনার কোন কাজে আসবে না।

>>> যে সহপাঠী তার সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত আপনার তুলনা করে, তাদের এড়িয়ে চলুন। কারণ তারা আপনার শান্তি ও আত্মসম্মান নষ্ট করবে।

বি: দ্র : তবে মনে রাখবেন। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকেন্দ্র। এখানে আপনার বন্ধু যত বাড়বে চিন্তা আর মানুষের সঙ্গে মেশার যোগ্যতাও তত বাড়বে। তাই এড়িয়ে চলা মানে তাকে অপমান করা নয়। উপরে উল্লিখিত ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলবেন তবে অবশ্যই তাদের সঙ্গে হাই হ্যালোর সম্পর্ক বজায় রাখুন।